আজ-  ,


সময় শিরোনাম:

ওসমানীনগরের কাজী আব্দুল আহাদের ‘চ্যালেঞ্জ’

ওসমানীনগরের তাজপুরে ইউনিয়নে কোনো বাল্য বিয়ে হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা নিকাহ ও তালাক রেজিস্ট্রার কাজী আব্দুল আহাদ। তিনি বলেছেন- একটি পক্ষ ষড়যন্ত্রমুলক ভাবে তার কর্মকান্ডকে বিতর্কিত করতে এই অপপ্রচারে নেমেছে।
ওসমানীনগরের পাশ্ববর্তী দয়ামীর ইউনিয়নের নিয়মিত নিকাহ ও তালাক রেজিস্ট্রার কাজী আব্দুল আহাদ। তাজপুর ইউনিয়নের নিয়মিত নিকাহ ও তালাক রেজিস্ট্রারের পদ শূণ্য হওয়ার পর গত ২০১৯ সালের ৮ আগষ্ট থেকে অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছেন। এরপর থেকে তিনি দয়ামীর ইউনিয়নের মতো পাশ্ববর্তী তাজপুর ইউনিয়নে স্বনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।
তাজপুর ও গোয়ালাবাজার ইউনিয়নে স্থায়ী নিকাহ ও তালাক রেজিস্ট্রার নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। এই অবস্থায় একটি কুচক্রী মহল তাজপুর ইউনিয়নের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত নিকাহ রেজিস্ট্রার কাজী আব্দুল আহাদকে বিতর্কিত করতে চাইছে। যেখানে বাল্য বিয়ের মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি সেখানে বাল্য বিয়ের কথা বলে কাজী আব্দুল আহাদকে হেনস্থা করাই তাদের মুল উদ্দেশ্য।
এসব অপপ্রচারকারীদের ‘চ্যালেঞ্জ’ ছুড়ে দিয়েছেন কাজী আব্দুল আব্দুল আহাদ। তিনি জানিয়েছেন- ‘মজলিসপুর ও কাশিপাড়ায় দুটি বাল্য বিয়ের কথা বলে মিথ্যা অভিযোগ তোলা হচ্ছে। অথচ এই দুটি বিয়ে সম্পর্কে তাজপুর কাজী অফিস সংশ্লিষ্ট নয়। এ ব্যাপারে প্রশাসনের তরফ থেকে তদন্ত করা হলেও কোনো সত্যতা মিলেনি।’
কাজী আব্দুল আহাদ জানিয়েছেন- ২০০২ সাল থেকে তিনি দয়ামীর ইউনিয়নে নিয়মিত কাজী হিসেবে রয়েছেন। তাদের সজাগ দৃষ্টি ও বিচক্ষনতার কারনে ২০১৬ সালের ৩০ শে আগষ্ট ওসমানীনগর উপজেলাকে বাল্য বিয়ে মুক্ত এলাকা ঘোষনা করা হয়। ওসমানীনগরকে বাল্য বিয়ে মুক্ত এলাকার সুনাম ধরে রাখতে তিনি সহ দায়িত্বপ্রাপ্ত কাজীরা সতর্ক রয়েছেন। কিন্তু একটি মহল এই সুনামে আঘাত করে ফায়দা লুটতে চাচ্ছে বলে দাবি করেন কাজী আব্দুল আহাদ।